পর্ব-১: বেসিক
করোনা অনেককিছু শিখিয়ে দিয়ে গেলো, কিন্তু কঠিনতম শিক্ষা বোধহয় সে দিয়ে গেলো ২০২১ সালের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের !
ক্লাস নাইন এবং ইলেভেনের ভিত্তিতে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের ফাইনাল নম্বর ঠিক হবে – এটা যারা পড়ছে তারাই বোঝে কতোটা বিপদজনক।
বিভিন্ন স্কুলে বিভিন্ন রকম নম্বর দেওয়ার প্রথা, বেশিরভাগ স্কুলেই স্টুডেন্টদের আরো উন্নতির স্বার্থে যথেষ্ট কড়াভাবে খাতা দেখা হয়, ফলে নম্বরও কম ওঠে। আবার স্টুডেন্টরাও অনেকসময় নাইন এবং ইলেভেনের কোর্স কম পড়ে, টেন আর টুয়েলভের পড়ায় বেশী জোর দেয়।
এবারে সবকিছুই গুলিয়ে গেলো, এর অভিঘাত প্রচণ্ড।
জীবন তবুও চলতে থাকে বিপদের থেকে শিক্ষা নিয়ে।
একটা কথা পরিষ্কার – প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশিই একটা নতুন “মানসিকতা” গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন, অন্তত পড়াশোনা করার ক্ষেত্রে, তবেই আগামী দিনের সমস্ত চমকের মোকাবিলা আরো সহজে করা যাবে।
পৃথিবী পাল্টাচ্ছে অতি দ্রুত, পড়াশোনা পাল্টাচ্ছে, কেরিয়ারও – কাজেই পড়াশোনার প্রতি অ্যাপ্রোচ না পাল্টালে … বিপদ।
শিক্ষক, গৃহশিক্ষকেরা তো আছেনই সমস্ত রকম সাহায্যের জন্য, কিন্তু প্রত্যেক ছাত্রকে আরো বেশি “স্মার্ট” হওয়া প্রয়োজন যুগের লাভ ওঠাবার জন্য !
স্মার্ট মানে কিন্তু চকচকে জামাকাপড়, দামী মোবাইল, ফটাফট ইংলিশ নয় ! স্মার্ট মানে হল – যতদূর সম্ভব বেশীজানা, কোনো সুযোগ সবচেয়ে আগে দেখতে পাওয়া, এবং সেই সুযোগের পুরো ফায়দা তোলা।
আজকের দুনিয়ায় হাজার সুযোগ, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই সেইসব সুযোগের কথা “সঠিক সময়ে” জানতে পারেন না; পারলেও সঠিক স্কিলের অভাবে তার সুবিধা নিতে পারেন না।
উচ্চমাধ্যমিক জীবনের প্রথম ধাপ যা ঠিক করে দেয় ভবিষ্যত্ জীবনটা কেমন কাটবে।
গ্রুপে যারা স্টুডেন্ট আছে, এই ব্যাপারে তোমাদের সবার মতামত বলো দেখি, দুটো নির্দিষ্ট পয়েন্ট (যেহেতু তোমরা অলরেডি উচ্চমাধ্যমিকের পড়া শুরু করে দিয়েছো গত মাসখানেক ধরে)
১) উচ্চমাধ্যমিকের পড়াটা মাধ্যমিকের থেকে কি আলাদা মনে হচ্ছে ?
২) উত্তর হ্যাঁ হলে, কোন কোন জায়গায় আলাদা মনে হচ্ছে ?