পর্ব ৭ : কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাক
প্রথম, ফোকাস;
দ্বিতীয়, প্ল্যানিং;
তৃতীয়, টাইম ম্যানেজমেন্ট;
চতুর্থ, রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট;
পঞ্চম, কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাক;
ষষ্ঠ, কানেকশন;
কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাক
প্রতিটা চ্যাপ্টার শেষ হওয়া মাত্রই একটি করে ছোট পরীক্ষা দেওয়া এবং সেই পরীক্ষার খাতা অভিভাবক বা গৃহশিক্ষক বা শিক্ষককে দিয়ে চেক করিয়ে নম্বর নেওয়া – এই অভ্যাস খুবই ভালো।
এই ধরনের চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্নপত্র আজকাল ইন্টারনেটে সবই পাওয়া যায়।
কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাক বলতে বোঝায় – আমি যে প্ল্যান অনুসারে কাজ করছি, আমার পারফরম্যান্স তাতে উন্নত হচ্ছে কিনা।
এই ধরনের ছোট ছোট প্রতি পরীক্ষায় যে নম্বর আমি পাচ্ছি সেইগুলি একটি কাগজে নোট করে রাখা উচিত। এতে তিন মাস চার মাস পরেই আমি বুঝতে পারবো যে – আমার পড়ার প্ল্যান কাজ করছে কিনা, তাতে আমার জ্ঞান এবং দক্ষতা বাড়ছে কিনা।
যদি দেখা যায় পরীক্ষার নম্বর ক্রমশ কমে যাচ্ছে, তাহলে অবশ্যই ফিরে দেখা উচিত যে কোথায় অসুবিধা হচ্ছে।
আর যদি দেখা যায় পরীক্ষার নম্বর ক্রমশ বাড়ছে, তাহলেও এটা দেখতে হবে যে কোন কোন কারণের জন্য আমি এখনো ফুল মার্কস বা একশোয় একশো পাচ্ছি না।
কেন, কোথায় ভুল হচ্ছে সেই ভুলগুলো ঠিক করে নিয়ে, আবার পরের পরীক্ষায দিতে হবে।
টার্গেটটা হচ্ছে একশয় একশ পাওয়া – প্রতিটা সাবজেক্টে, প্রতিটা পরীক্ষায়।
কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে – রিপিট মিসটেক বন্ধ হচ্ছে কিনা।
অনেক সময় দেখা যায় আমরা একই ধরনের ভুল পরপর করতে থাকি, এদের বলে রিপিট মিসটেক।
কাজেই প্রথম পরীক্ষায় যে ভুলগুলো হলো, সেগুলো একটি আলাদা খাতায় নোট করে রাখা দরকার – যেমন হয়তো, বানান ভুল, ফর্মুলা ভুল, ক্যালকুলেশন ভুল, ডেফিনেশনে সবকটি পয়েন্ট না লেখা এরকম জাতীয়।
পরের পরীক্ষা বা তার পরের পরীক্ষা দিয়ে আমাদের দেখতে হবে আমরা ওই ধরনের ভুলগুলোকে অ্যাভয়েড করতে পারছি কি না, নাকি একই ভুল হয়ে যাচ্ছে বারবার।
এছাড়াও নিয়মিতভাবে কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাক নেওয়া উচিৎ শিক্ষক ও গৃহশিক্ষকের কাছ থেকে – একটি সহজ প্রশ্ন “স্যার, আমি কেমন পড়ছি ? আর কোথায় উন্নতি করতে হবে?”। তাঁদের নির্দেশ খাতায় নোট করতে হবে।