Warning: ini_set(): Invalid date.timezone value '', using 'Asia/Kolkata' instead in /home/xtpydjvq/domains/gramosetu.org/public_html/wp-content/plugins/form-to-pdf/form-to-pdf.php on line 942
পর্ব ৬ : রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট – শিক্ষা ও আমরা

পর্ব ৬ : রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

প্রথম, ফোকাস;
দ্বিতীয়, প্ল্যানিং;
তৃতীয়, টাইম ম্যানেজমেন্ট;
চতুর্থ, রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট;
পঞ্চম, কন্টিনিউয়াস ফিডব্যাক;
ষষ্ঠ, কানেকশন;

রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট

যা কিছু আমার পড়াশোনার কাজে লাগে সেটাই রিসোর্স।

এক্ষেত্রে – বই, নোটস, ইউটিউবের ভিডিও, টিউটোরিয়ালের প্রশ্নপত্র, টেস্ট পেপার, অনলাইন টেস্ট অ্যাপ, সিলেবাস, তার সঙ্গে গৃহশিক্ষকের পড়ানো, স্কুলের শিক্ষকের পড়ানো – সবই আমার রিসোর্স।

কিন্তু এতগুলো জিনিস নিয়ে মাথা গুলিয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক ! কাজেই এদের কিভাবে ব্যবহার করে আমি সবথেকে বেশী উপকার পেতে পারি – সেটাই রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট।

বিভিন্ন রিসোর্স কিভাবে ম্যানেজ করা যেতে পারে, সেটি বোঝার আগে বিভিন্ন রিসোর্স-এর একটি তুলনামূলক আলোচনা করলে মন্দ হয় না।

আজকাল ইন্টারনেট এবং ইউটিউবের দৌলতে সমস্ত ধরনের কনসেপ্ট অতি সুন্দর ভাবে ভিডিওর সাহায্যে বোঝানো হয়। সঙ্গত প্রশ্ন ওঠে তাহলে শিক্ষক বা গৃহশিক্ষকের ভূমিকা কি ?

ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি বিষয় শুধু বোঝাই যথেষ্ট নয়, বোঝার পরে আসে সন্দেহ এবং বিভিন্ন প্রশ্ন। বিভিন্ন পড়ুয়ার বিভিন্ন সন্দেহ, বিভিন্ন প্রশ্ন – এই প্রশ্ন এবং সন্দেহগুলির নিরসন একজন শিক্ষক বা গৃহশিক্ষকই করতে পারেন।

তাছাড়া তিনি যখন গ্রুপে বসে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন এবং সন্দেহ আলোচনা করেন, উত্তর দেন – তার থেকে বাকি পড়ুয়ারাও লাভবান হয়।

তাহলে ইউটিউবের এই ভিডিওগুলির ভূমিকা কি ? সেও গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এরা অত্যন্ত ভিসুয়ালি সুন্দর করে, ভিডিওর সাহায্যে কনসেপ্টগুলিকে বোঝায়, কাজেই পড়ুয়ার বুঝতে খুবই সুবিধা হয়। এরা শিক্ষক বা গৃহশিক্ষকের রিপ্লেসমেন্ট বা পরিবর্ত নয়, বরং সাপ্লিমেন্টারি বা সহায়ক।

একজন পড়ুয়া নির্দিষ্ট কোন কনসেপ্টের একটি ভিডিও দেখে প্রথমে জিনিসটি বোঝার চেষ্টা করবে, আরো দু-একটি ভিডিও দেখে তার সম্বন্ধে আরও জানবে, তারপর শিক্ষক বা গৃহশিক্ষকের সহায়তা নিয়ে ও বই পড়ে সেটি আত্মস্থ করবে, সমস্ত প্রশ্নের উত্তর জোগাড় করবে – এই মডেলে পড়াশোনা অতি দ্রুত এগিয়ে যায়।

আবার ভিডিওর নেশায় পড়ে যাওয়ার থেকেও সাবধান থাকা দরকার – সময় অল্প, কাজেই একই জিনিসের ভিডিও যাতে বারবার না দেখি, অনাবশ্যক বড়ো বড়ো ভিডিও যাতে না দেখি, সবথেকে কম সময়ে সুন্দর করে বুঝিয়েছে এইরকম ভিডিওই যাতে দেখি, এবং যে জিনিসটা বই পড়েই বুঝে ফেলছি, তার ভিডিও যেন না দেখি – এই ব্যাপারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এটা হলো কনসেপ্ট বোঝার ক্ষেত্রে।

আবার প্রশ্নোত্তর লেখার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার।

প্রথমে পাঠ্য বইয়ের প্রশ্নমালা, তারপর গতবছরের প্রশ্নমালা, তারপর এক্সট্রা, কম্পিটিটিভ পরীক্ষার প্রশ্ন – এইভাবে আলাদা আলাদা খাতায় লিখলে, সবথেকে ভালো প্রস্তুতি হয়।

আলাদা আলাদা খাতায় লেখা জরুরী, তবেই নির্দিষ্ট পরীক্ষার আগে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তরের রিভিশন সহজে করা যাবে।

অনলাইনে মক টেস্ট প্রাকটিস জরুরী, তবে এটা সব শেষে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.